সুখবরঃ অনলাইনেই পাবেন ইউরোপ ঘোরার ভিসা

15th November 2023 10:51 am Country News
সুখবরঃ অনলাইনেই পাবেন ইউরোপ ঘোরার ভিসা


ভারতের বাইরে যে কোনও দেশে ঘুরতে গেলে ভিসার জন্য আবেদন করতে হয়। কিন্তু ইউরোপীয় দেশগুলির জন্য নিয়ম আলাদা। ইউরোপের ২৭টি দেশে ঘুরতে একটি ভিসা হলেই চলে। তার নাম শেঙ্গেন ভিসার প্রয়োজন হয়। যেহেতু ২৭টি দেশে একসঙ্গে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়, তাই এই ভিসার আবেদন প্রক্রিয়া বেশ জটিল। নথিপত্রের যাচাই থেকে নানা বিষয়ের জন্য বারবার কনসুলেট অফিস ছুটতে হয়।এবার সেই পদ্ধতি সহজ হতে চলেছে। কারণ আবেদনের গোটা প্রক্রিয়া এবার অনলাইনে হবে। এমনটাই সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের সদস্য দেশগুলি।ইউরোপীয় ইউনিয়ন কাউন্সিল একটি প্রেস বিবৃতি জারি করেছে। তাতে বলা হয়েছে, আবেদন প্রক্রিয়া দ্রুত করতে ডিজিটাল করার কথা ভাবা হয়েছে। স্পেনের মন্ত্রী ফার্নান্ডো গ্রান্ডে মারলাস্কা বলেন, এতে পর্যটকদের অনেকটাই সুবিধা হবে। বর্তমানে ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের প্রেসিডেন্সিয়াল দায়িত্ব পেয়েছে স্পেন। প্রসঙ্গত, অনলাইন ব্যবস্থা আনতে গত এক মাস ধরে প্রশাসনিক নানা প্রক্রিয়া চলছিল ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন দফতরে। অবশেষে অনলাইন ব্যবস্থা শুরু হল এবার। এই মর্মে একটি সরকারি গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে। এর গেজেট প্রকাশের তিন সপ্তাহ পর থেকে অনলাইন পোর্টাল সক্রিয় হয়ে যাবে। আবেদন প্রক্রিয়া তখন অনলাইনেই শুরু করা যাবে।কীভাবে আবেদন করবেন?অনলাইন পোর্টালটি চালু হয়ে গেলে শর্ট স্টে অর্থাত্‍ নির্দিষ্ট কয়েক দিন থাকার জন্য আবেদন নেওয়া শুরু হবে। আবেদন করতে ডকুমেন্ট সাবমিট করতে হবে। এর সঙ্গে জমা দিতে হবে ভ্রমণের নথিপত্র ও বায়োমেট্রিক তথ্য।এর পর তথ্য যাচাই করে আবেদনকারীকে অনুমোদন দেবে কনসুলেট অফিস। সঙ্গে একটি ডিজিটাল সই করা বারকোড দেওয়া হবে। সেটি প্রিন্ট করে নিতে হবে বা ডিজিটাল উপায়ে সংরক্ষণ করা যাবে।অনলাইনেই ভিসার ফি পেমেন্ট করা যাবে। অস্ট্রেলিয়াতে ইতিমধ্যেই এই প্রক্রিয়া চালু রয়েছে। এবার ইউরোপেও শুরু হল সেটি।কাদের কনসুলেট অফিস যেতেই হবে?প্রথমবার যাঁরা আবেদন করছেন তাঁদের জন্য এই সুবিধা নেই। তাঁরা অনলাইনে আবেদন করলেও ফিজিক্যাল ভেরফিকেশন করবে কনসুলেট অফিস। তাই একবার হলেও যেতে হবে দূতাবাসে‌র অফিসে।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।