কবে থেকে শুরু নতুন আইপিএল? বিশ্বকাপের মাঝেই দিন ঘোষণা ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের

12th November 2023 9:35 am Country News
কবে থেকে শুরু নতুন আইপিএল? বিশ্বকাপের মাঝেই দিন ঘোষণা ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের


এক দিনের বিশ্বকাপ নিয়ে মেতে রয়েছেন সারা বিশ্বের ক্রিকেটপ্রেমীরা। বিশ্বকাপের পাশাপাশি ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড ঘরোয়া প্রতিযোগিতাগুলিও আয়োজন করছে নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী। আগামী প্রতিযোগিতাগুলি নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার কাজও থেমে নেই।নতুন আইপিএল শুরুর দিন জানিয়ে দিল ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই)।নতুন আইপিএল অর্থাত্‍ মহিলাদের প্রিমিয়ার লিগ শুরুর দিন ঘোষণা হল বিশ্বকাপের মাঝে। আগামী ২৩ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হবে হরমনপ্রীত কৌর, স্মৃতি মন্ধানাদের ২০ ওভারের ক্রিকেটের প্রতিযোগিতা। এ বারের প্রতিযোগিতা হবে আইপিএলের ধাঁচে। হোম অ্যান্ড অ্যাওয়ে পদ্ধতিতে লিগ পর্বে খেলবেন হরমনপ্রীত, মন্ধানারা। যদিও কিছুটা পার্থক্য থাকছে।চূড়ান্ত সূচি এখনও প্রকাশ করেনি বিসিসিআই। হোম অ্যান্ড অ্যাওয়ে পদ্ধতিতে হলেও খেলাগুলি হবে আসলে দু'টি শহরে। বেঙ্গালুরু এবং মুম্বইয়ে হবে ২০২৪ সালের প্রতিযোগিতাগুলির সব ম্যাচ। প্রথম শহরে সব দলগুলি কিছু ম্যাচ খেলার পর দ্বিতীয় শহরে বাকি ম্যাচগুলি খেলবে। নতুন ক্রিকেটার নিতে পারবে পাঁচটি ফ্র্যাঞ্চাইজ়ি। আগামী ডিসেম্বরে হবে নিলাম। à¦ªà§à¦°à¦¥à¦® বছর প্রতিযোগিতার সব ম্যাচ হয়েছিল মুম্বইয়ে। গত ৪ মার্চ থেকে ২৬ মার্চ হয়েছিল মহিলাদের প্রথম প্রিমিয়ার লিগ। প্রথম বার দিল্লি ক্যাপিটালসকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।