ধনতেরাস-দীপাবলিতে নগদ টাকায় কতটা সোনা কেনা যাবে?

7th November 2023 9:55 pm Country News
ধনতেরাস-দীপাবলিতে নগদ টাকায় কতটা সোনা কেনা যাবে?


যদি দীপাবলিতে সোনা কেনার পরিকল্পনা থেকে থাকে, তাহলে তার আগে সোনা কেনাকাটার নিয়ম আগে ভালো করে জেনে নেওয়া জরুরি৷ দীপাবলিতে, আমরা একটি শুভ লক্ষণ হিসাবে সোনা কিনি, তার উপরে, বিয়ের মরসুম চলছে, তাই প্রচুর পরিমাণে গয়না কেনা হবে, তবে এমন পরিস্থিতিতে আয়কর এবং অন্যান্য সরকারী নিয়মগুলিও জানা উচিত৷ আসলে, সোনা কেনা এবং রাখার বিষয়ে কিছু গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম রয়েছে, যদি তা মানা না হয় তবে আপনি বড় সমস্যায় পড়তে পারেন৷

 

কোন কোন নথির প্রয়োজন?

 

আপনি যখন সোনা কিনতে যান, আপনাকে প্যান কার্ড বা অনুরূপ কেওয়াইসি নথি চাওয়া হতে পারে৷ দেশে কিছু লেনদেনের জন্য প্যান কার্ড দেখানো বাধ্যতামূলক করা হয়েছে, যাতে কালো টাকার ব্যবহার বন্ধ করা যায়৷ আপনি যদি ২ লক্ষ টাকা বা তার বেশি মূল্যের সোনা কেনেন তবে আপনাকে প্যান দেখাতে হবে। আয়কর বিধির 114B ধারার অধীনে দেশে এই নিয়ম রয়েছে। ১ জানুয়ারি, ২০১৬ এর আগে, ৫ লক্ষ টাকার উপরে সোনা কেনার ক্ষেত্রে প্যান দেখানোর নিয়ম ছিল৷

আপনি নগদে কতটা সোনা কিনতে পারেন?

 

আপনি শুধুমাত্র নগদ টাকা দিয়ে ২ লাখ টাকা পর্যন্ত সোনা কিনতে পারবেন। আপনি যদি ২ লাখ টাকার বেশি মূল্যের সোনা কেনেন তবে আপনাকে কার্ড বা প্যান কার্ডের সঙ্গে চেকের মাধ্যমে তা পরিশোধ করতে হবে। আয়কর আইনের 269ST ধারার অধীনে, আপনি একদিনে ২ লাখ টাকার বেশি নগদ লেনদেন করতে পারবেন না। তাই মূলত আপনি যদি ২ লাখ টাকার বেশি নগদ টাকা দিয়ে সোনা কেনেন, তাহলে আপনি আয়কর আইন অমান্য করবেন যা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। 

কে কতটা সোনা নিজের কাছে রাখতে পারেন?

 

একজন বিবাহিত মহিলা নিজের কাছে ৫০০ গ্রাম পর্যন্ত সোনা রাখতে পারবেন। একজন অবিবাহিত মহিলা নিজের কাছে ২৫০ গ্রাম পর্যন্ত সোনা রাখতে পারেন। একজন ব্যক্তিষ তার কাছে ১০০ গ্রাম পর্যন্ত সোনা রাখতে পারেন। এর বেশি সোনা থাকলে ওই সোনা কোথা থেকে পেয়েছেন তার উত্তর আর উপযুক্ত নথি পত্ৰ আপনার কাছে থাকা জরুরি৷





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।