আধারের বয়স ১০ বছর পেরিয়েছে? সঠিক পদ্ধতিতে আপডেট করুন

3rd November 2023 9:57 am Country News
আধারের বয়স ১০ বছর পেরিয়েছে? সঠিক পদ্ধতিতে আপডেট করুন


দেশের যে কোনও প্রান্তে আপনি যান না কেন, পরিচয় পত্র হিসেবে এখন সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ নথি হয়ে উঠেছে আধার কার্ড। তাই এই নথি সব সময় আপ টু ডেট রাখতেই হবে। দেশের অধিকাংশ মানুষ যাদের আধার কার্ড আছে, সেইসব কার্ডের বয়স আপাতত ১০ বছর পেরিয়েছে। তাই সেই কার্ড আপডেট করা জরুরি। আধার কর্তৃপক্ষও সেই একই কথা বলছে।তাহলে কী ভাবে সঠিক পদ্ধতিতে আধার কার্ড আপডেট করবেন? UIDAI বা আধার কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আধার কার্ডের আপডেট ১৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত বিনামূল্যে করা যাবে। যদিও এর আগের তারিখটি ছিল ১৪ সেপ্টেম্বর। আপডেট করার সময় বেশ কিছু অন্য নথি সঙ্গে রাখতে হবে। যেমন রেশন কার্ড, ভোটার আইডি কার্ড, প্যান কার্ড, ড্রাইভিং লাইসেন্স, ছবি সহ সেকেন্ডারি বা স্কুল লিভিং সার্টিফিকেট। এছাড়া পাসপোর্ট, বিদ্যুত্‍/জল/গ্যাস বিল, ব্যাঙ্ক/পোস্ট অফিস পাসবুক থাকলেও আধার কার্ড আপডেট করা যাবে। এই কাজ করতে হলে আপনাকে যেতে হবে UIDAI-এর অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে। ওয়েবসাইটে ঢোকার পর প্রোফাইল অপশনে গিয়ে তথ্যগুলো যাচাই করতে হবে। কোনও তথ্য ভুল থাকলে উপরোক্ত যে কোনও একটি ডকুমেন্ট যাচাই করে সেটি আপডেট করতে পারবেন। তারপর ডকুমেন্ট আপলোড করার পর সাবমিট অপশনে ক্লিক করতে হবে। সব তথ্য সঠিক হলে 'ভ্যারিফাই' অপশনে ক্লিক করে দিন। তবে অনলাইনের ক্ষেত্রে এই কাজে চার্জ রয়েছে ২৫ টাকা এবং অফলাইনে ৫০ টাকা। অফলাইনে আধার সেন্টারে গিয়ে কাজ করতে হবে।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।