হাই জাম্পে নতুন রেকর্ড গড়ে সোনা জিতলেন ভারতের নিষাদ কুমার

23rd October 2023 5:54 pm Country News
 হাই জাম্পে নতুন রেকর্ড গড়ে সোনা জিতলেন ভারতের নিষাদ কুমার


সোমবার হাংঝাউতে চতুর্থ এশিয়ান প্যারা গেমস ২০২২-এ পুরুষদের হাই জাম্প T47-এ একটি নতুন এশিয়ান গেমসের রেকর্ড গড়ে ভারতের নিশাদ কুমার সোনা জিতেছেন। নিষাদ বাকি ২.০২ মিটার লাফিয়ে স্বর্ণপদক জিতেছেন। চিনের হংজি চেন ১.৯৪ মিটার লাফিয়ে রুপো জিতেছেন। ভারতের রাম পালও একই উচ্চতা লাফিয়ে রুপো জিতেছেন।ভারতীয় প্যারা-অ্যাথলিট মনু ঘাঙ্গাস পুরুষদের শট পুট-এফ-১১ ফাইনালে ব্রোঞ্জ পদক জিতেছেন। চতুর্থ প্রচেষ্টায় মনু তার সিজনের সেরা ১২.৩৩ মিটার ছুঁড়ে ব্রোঞ্জ পদক জেতেন। ইরানের আমির হোসেন তার মরশুমের সেরা ১৩.৯২ মিটার থ্রো করে স্বর্ণপদক জিতেছেন। রুপো জিতেছেন মাহদি ওলাদ। তিনি ১৩.৩০ মিটার থ্রো করে রুপোর পদক নিশ্চিত করেন। ভারতের বালাজি রাজেন্দ্রন ১১.৫৬ মিটার ব্যক্তিগত সেরা থ্রো করেছেন, কিন্তু তা পদক জেতার জন্য যথেষ্ট ছিল না।এর আগে, প্যারা এশিয়ান গেমসে অ্যাথলেটিক্সে ভারতের শৈলেশ কুমার, মারিয়াপ্পান থাঙ্গাভেলু এবং রাম সিং পাধিয়ার সোমবার পুরুষদের হাই জাম্প-টি63 ইভেন্টে যথাক্রমে সোনা, রুপো এবং ব্রোঞ্জ পদক জিতেছেন।শৈলেশ এশিয়ান গেমসে পুরুষদের হাই জাম্প-T42 ইভেন্টে প্রাক্তন রেকর্ড হোল্ডার মারিয়াপ্পানকে হারিয়ে সোনা জিতেছেন। শৈলেশ ১.৮২ মিটার লাফিয়ে নতুন রেকর্ড গড়েছেন। মারিয়াপ্পান তার সিজন-সেরা ১.৮০ মিটার লাফিয়ে রুপো জিতেছেন। রাম সিং ১.৭৮ মিটার প্রচেষ্টায় তৃতীয় স্থানে শেষ করেন।প্রাচি যাদব মহিলাদের VL2 ফাইনালে ক্যানোয়িংয়ে রৌপ্য পদক জিতেছেন। উজবেকিস্তানের ইরোদাখোন রুস্তমোভা মাত্র ১.০২২ সেকেন্ড কম সময় নিয়ে সোনার পদক নিশ্চিত করেন। প্রাচী ১:০৩.৪৭ সেকেন্ড সময় নিয়ে রুপো পুয়েছেন। ইরোদাখোন ১:০২.১২৫ সেকেন্ড সময় নিয়ে সোনা জেতেন। জাপানের সাকি কোমাতসু ১:১১.৬৩৫ সেকেন্ড সময় নিয়ে ব্রোঞ্জ পদক পান।ভারত ১৫টি সোনা, ২৪টি রুপো এবং ৩৩টি ব্রোঞ্জ জিতেছিল ২০১৮ সালের এশিয়ান গেমসে। এবার সেই পারফর্ম্যান্সকে ছাপিয়ে যেতে পারে ভারত। সদ্য সমাপ্ত এশিয়ান গেমসে মোট ১০৭টি পদক জিতে ঐতিহাসিক পারফরম্যান্স করেছে। এটাই চতুর্থ এশিয়ান প্যারা গেমসে প্রতিযোগী এবং কোচদের অনুপ্রাণিত করছে।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।