মঙ্গল মিশন ২-এর প্রস্তুতি

14th October 2023 6:25 pm Country News
 মঙ্গল মিশন ২-এর প্রস্তুতি


আবারও সুখবর শুনিয়েছে ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা। চন্দ্রাভিযান, সূর্যাভিযানের পর শুক্র গ্রহে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছে ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা। এবার আরও এক মিশনের ঘোষণা করেছে ইসরো। ফের একবার মঙ্গল মিশনে নামতে চলেছে ইসরো। এবার চালু হতে চলেছে মার্স-মিশন-২। নয় বছর আগে প্রথমবার মঙ্গলের কক্ষপথে ইসরো সফল ভাবে রকেট পাঠিয়েছিল।ইসরোর তরফে জানানো হয়, মার্স অরবিটার মিশন-২ বা মঙ্গলযান ২ পাঠানোর প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। এই মিশনের মহাকাশযানে চারটি পেলোড পাঠাবে ইসরো। এই পেলোড মঙ্গলের বিভিন্ন উপাদান নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালাবে। ধূলিকনা সংগ্রহের মাধ্যমে চলবে পরীক্ষার কাজ। এছাড়াও লাল গ্রহের আবহওয়া এবং পরিবেশ নিয়ে করা হবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ইসরোর এক কর্মী জানান, ইতিমধ্য়েই শুরু হয়ে গিয়েছে পেলোড তৈরির কাজ। বিভিন্ন ধাপে রয়েছে সেগুলি। আগামী এক বছরের মধ্য়ে পেলোডগুলি তৈরি হয়ে যাবে বলে জানিয়েছেন তিনি।নয় বছর আগে ২০১৩ সালের ৫ নভেম্বর প্রথম চেষ্টাচেই ইসরো মঙ্গল গ্রহের কক্ষপথে মহাকাশযান পাঠিয়েছিল। ছয় মাস সময়সীমার এই মিশন ৭ বছর পর্যন্ত অর্থাত্‍ ২০২১ সাল পর্যন্ত মঙ্গলের কক্ষপথে ঘুরেছিল মহাকাশযানটি। সৌরশক্তি কণা ও সুপ্রা-থার্মাল সৌর বাতাস নিয়ে পরীক্ষা করার জন্য এনার্জেটিক আয়ন স্পেক্রোমিটারও তৈরি করা হচ্ছে বলে ইসরোর তরফে খবর। গবেষণার মাধ্যমে বিজ্ঞানীরা বোঝার চেষ্টা করবেন যে মঙ্গলের বায়ুমণ্ডলের কেন পরিবর্তন হয়েছিল।
 



 





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।