সাবধান চা পানেই বাড়ছে ক্যান্সারের ঝুঁকি দেখেনিন কি বলছে গবেষণায় একঝলক

13th May 2024 8:48 pm Country News
সাবধান চা পানেই বাড়ছে ক্যান্সারের ঝুঁকি দেখেনিন কি বলছে গবেষণায়  একঝলক


এক কাপ চা সারাদিনের ক্লান্তি দূর করে। আবার এই চা অতিরিক্ত সেবন শরীরের জন্য ক্ষতিকর। ডা. চক্রবর্তী বলেন, গরম চা খাদ্যনালিতে ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায়। আর শুধু গরম চা বা কফি নয়, যে কোনো ধরনের পানীয় অতিরিক্ত গরম অবস্থায় পান করলে তা আমাদের খাদ্যনালির অভ্যন্তরের আস্তরণের মারাত্মক ক্ষতি করে।ফলে খাদ্যনালির কোষগুলো ক্রমাগতভাবে নতুন করে জন্মানোর প্রয়োজন হয়।ইন্টারন্যাশনাল এজেন্সি ফর রিসার্চ অন ক্যান্সার (IARC) এর মতে, ১৪৯ ডিগ্রি ফারেনহাইট বা ৬৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি গরম পানীয় লেভেল ২এ কার্সিনোজেনের সমতুল্য ক্ষতিকর, যা ক্যান্সারের অন্যতম কারণ। আমেরিকান ক্যান্সার সোসাইটির একদল গবেষক তাদের প্রতিবেদনে দাবি করেছেন, অতিরিক্ত গরম চা পানের অভ্যাস গলার ক্যান্সারের ঝুঁকি প্রায় ৯০ শতাংশ বাড়িয়ে দিতে পারে!উত্তর-পূর্ব ইরানের প্রায় ৫০ হাজার মানুষের উপর এই গবেষণা চালিয়ে তারা এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন। কণ্ঠনালীর ক্যান্সারে প্রতি বছর ৪ লাখের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়। আর গরম চা বা কফি ছাড়াও মাত্রাতিরিক্ত ধূমপান, মদ্যপানের অভ্যাস এই ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায়।তার মতে, ৬০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কম উষ্ণ চা খাওয়াটাই স্বাস্থ্যের পক্ষে উপযুক্ত। এই চেয়ে বেশি গরম চা খেলে বাড়বে ক্যান্সারের ঝুঁকি। তাই চা কফি খাওয়ার আগে খেয়াল রাখবেন যেন অতিরিক্ত গরম না হয়।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।