কাঠফাটা গরমে নাজেহাল অবস্থা এসি কুলার ছাড়াই ঘর ঠান্ডা রাখার কয়টি দারুন উপায় জেনেনিন

2nd May 2024 7:26 pm Country News
কাঠফাটা গরমে নাজেহাল অবস্থা এসি কুলার ছাড়াই ঘর ঠান্ডা রাখার কয়টি দারুন উপায় জেনেনিন


গরমে বাইরেও যেমন তাপ, তেমনই ঘরে টেকাও মুশকিল। বিশেষ করে দুপুরে ঘর যেন আরও গরম হয়ে ওঠে। যাদের ঘরে এসি নেই তারা সারাদিন ফ্যান চালিয়ে রেখেও স্বস্তি পান না।গরমে ঘর ঠান্ডা রাখতে বেশ কিছু বিষয় মাথায় রাখা জরুরি। তাহলে এসি ছাড়াই গরমে ঘর রাখতে পারবেন ঠান্ডা। চলুন তবে জেনে নেওয়া যাক এক্ষেত্রে কী করণীয়->> ঘরে দুই লেয়ারের পর্দা ব্যবহার করুন। এতে ঘরে সূর্যের তাপ ঢুকবে না। দুপুরে যখন রোদের তীব্রতা বাড়তে শুরু করবে তখন দুটো পর্দাই টেনে দিন। দেখবেন ঘর ঠান্ডা থাকবে।

>> বেডরুমের কম্পিউটার বা ল্যাপটপ চালু করে রাখবেন না। এতে ঘর গরম হয়ে যায়। ফোন চার্জ দেওয়া হয়ে গেলে সুইচ অফ করে রাখুন। পড়ালেখার জন্য এলইডি লাইট ভ্যবহার করুন।

>> লিনেন বা সুতির বেডশিট ব্যবহার করুন। খুব গাঢ় রং কিংবা ভারী কাপড়রে বদেলে প্যাস্টেল শেডের চাদর বেছে নিতে পারেন।

সাদা বেডশিটের ওপরে হালকা রঙের বেড কভার বিছিয়ে দিন। বালিশ ও কুশনের জন্য বেছে নিন একই রঙের নানা টেক্সচারের কভার। দেখতে ভালো লাগবে। চোখের পক্ষে আরামদায়ক।

>> ড্রইংরুমে বড় কার্পেট থাকলে তুলে রাখুন। তার বদলে মেঝেতে জুটের বা মাদুরের লম্বা চাটাই পেতে দিন।

>> ছাদের নিচের ফ্ল্যাট সবচেয়ে বেশি গরম থাকে। এক্ষেত্রে ছাদে শেড লাগাতে পারলে খুব ভালো হয়। শেড না থাকলে দুপুরের দিকে সিলিং ফ্যানের বদলে টেবিল ফ্যান ব্যবহার করুন।

সিলিং ফ্যান ওপরের গরম হাওয়া টেনে নামায়, ফলে আরও বেশি গরম লাগে। বাটিতে বরফের কিছু টুকরা টেবিল ফ্যানের সামনে রেখে ফ্যান চালান। এতে ঘর বেশ ঠান্ডা হবে।

>> ঘরে ইনডোর প্লান্ট লাগান। অ্যালোভেরা, বস্টন ফার্ন, উইপিং ফিগ, অ্যারিকা পাম গাছ রাখলে ঘর ঠান্ডা থাকবে।

>> ঘর ঠান্ডা রাখার পাশাপাশি শরীর ঠান্ডা রাখতে আইস কিউব ট্রেতে পুদিনা পাতা, আদা কুচি বা লেবুর ছোট ছোট স্লাইস জলে মিশিয়ে খান।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।