বিয়ের সাজে চাই বলিউডের ছোঁয়া? বেশি খরচ না করেই লেহঙ্গায় পোশাকশিল্পীর ‘টাচ্’ আনবেন কী ভাবে?

15th April 2024 8:55 pm Country News
বিয়ের সাজে চাই বলিউডের ছোঁয়া? বেশি খরচ না করেই লেহঙ্গায় পোশাকশিল্পীর ‘টাচ্’ আনবেন কী ভাবে?


অনেক দিনের সাধ, বিয়েতে নিজের পছন্দ করে কেনা লেহঙ্গা পরবেন। আলিয়া ভট্ট, কিয়ারা আডবাণী, পরিণীতি চোপড়ার বিয়ের সাজ মনে রয়ে গিয়েছে যে! বিয়েতে সকলের নজর কাড়তে তাই লেহঙ্গাতেই ভরসা রাখছেন অনেক বাঙালি তরুণীরা। রিসেপশনের দিন তো বটেই কেউ কেউ বিয়ের দিনও পরছেন ডিজ়াইনার লেহঙ্গা।

ইদানীং বিয়ের সাজের ব্যাপারে ডিজাইনারদের পরামর্শ নেওয়ার চল বেড়েছে খুব। কনেকে দেখে তাঁরা বলে দেন, কী রং বা কোন স্টাইলের লেহঙ্গায় মানাবে তাঁকে। তাই কী পরবেন, সেই সিদ্ধান্ত নিতে গিয়ে বিভ্রান্ত হয়ে পড়লে যোগাযোগ করতেই পারেন কোনও ডিজাইনারের সঙ্গে। তবে নামীদামি পোশাকশিল্পীর নকশা করা লেহঙ্গার দামও হয় আকাশছোঁয়া! সেই বাজেট সবার থাকে না। তাই সময় থাকতেই বরং ঠিক করে রাখুন, বিয়ের দিন লুক ঠিক কী রকম হবে। লেহঙ্গা কেনার আগে কোন কোন বিষয়গুলি খেয়াল রাখা প্রয়োজন, রইল তার হদিস।

 

১) বিয়ের লেহঙ্গা কেনার আগে চাই একটু গবেষণা! বিভিন্ন জীবনধারা সংক্রান্ত ম্যাগাজ়িন আর নেটমাধ্যম ঘেঁটে বুঝতে হবে, এখন কোন ধরনের লেহঙ্গা ফ্যাশনে ‘ইন’। বাজারে গিয়ে নানা ধরনের লেহঙ্গা দেখে বিভ্রান্ত হয়ে যেতে পারেন। তাই আগে থেকেই মাথায় স্থির করে রাখুন কোন ধাঁচের লেহঙ্গা চাই।

২) বলিপাড়ার অভিনেত্রীদের বিয়ের সাজ দেখে অনেকেই অনুপ্রাণিত হন। তবে প্রিয় অভিনেত্রীর গায়ে যে লেহঙ্গাটি মানানসই তা সবার ক্ষেত্রে তা না-ও ভাল লাগতে পারে। তাই দোকানের সামনে প্রিয় তারকার লেহঙ্গাটি টাঙানো দেখলেন, তা দেখেই পছন্দ হয়ে গেল। ভাবলেন, হাতে সময় যখন কম, তখন ওটাই কিনে নিই। ওই ভুল করবেন না। পোশাক সুন্দর হতেই পারে, কিন্তু তাতে যে আপনি মোহময়ী হয়ে উঠবেন, সে রকম নয়৷ তার চেয়ে বরং ট্রায়াল দিয়ে নিজের উচ্চতা, চেহারার সঙ্গে যাচ্ছে কি না দেখে, তবেই কিনুন লেহঙ্গা।

৩) আলিয়া, পরিণীতি, কিয়ারা— সকলকেই প্যাস্টেল শেডের লেহঙ্গা পরতে দেখে ভেবে নিলেন, হালকা রঙের পোশাকই পরবেন। তবে ‘বলিউডের ট্রেন্ডে’ গা ভাসিয়ে নয়, নিজের উপর কোন রং বেশি মাানাচ্ছে, তা দেখেই বিয়ের লেহঙ্গা বাছাই করুন।

৪) লেহঙ্গা কেনার সময় স্বাচ্ছন্দ্যের বিষয়টি সবার আগে মাথায় রাখুন। দাম দিয়ে খুব ভারী কারুকাজের লেহঙ্গা কিনে ফেললেন, অথচ সেই পোশাক পরে বিয়েতে হাঁটতেই পারলেন না, এমনটা করার কোনও মানে নেই। তাই লেহঙ্গা কেনার আগে দেখে নিন, খুব যেন ভারী না হয়। একাধিক ক্যানক্যানের (লেহঙ্গার নীচে ব্যহহৃত নেট) ব্যবহার লেহঙ্গাকে ভারী করে দেয়। অযথা বেশি ক্যানক্যান ব্যবহার না করাই ভাল।

৫) ৮-১০ মাস আগেই বিয়ে ঠিক হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ছুটলেন লেহঙ্গা কিনতে। ভাবলেন, সময় থাকতে থাকতে কিনে রাখি। লেহঙ্গা আগে থেকে কিনলেও ব্লাউজ়টি কিন্তু খুব বেশি দিন আগে থেকে বানিয়ে রাখবেন না। এই সময়টায় শারীরিক গঠনে পরিবর্তন আসতে পারে। তাই সতর্ক থাকুন।

পোশাকশিল্পীদের থেকে লেহঙ্গা কিনতে হলে আপনার খরচ পড়বে ৫০ হাজার টাকার উপর। অথচ একটু সময় ও বুদ্ধি খরচ করলে আপনি প্রায় অর্ধেক দামেই বিয়ের লেহঙ্গা কিনে ফেলতে পারবেন। বড়বাজার, রামমন্দিরের বিভিন্ন দোকানে পোশাকশিল্পীদের তৈরি লেহঙ্গার রেপ্লিকা পাওয়া যায়, সেই সব দোকান থেকেও বেছে নিতে পারেন স্বপ্নের পোশাকটি।

 

৬) ইদানীং লেহঙ্গার সঙ্গে দু’টি ওড়নার ব্যবহারের চল বেড়েছে। একটি ওড়না লেহঙ্গার সঙ্গেই থাকে। তবে অন্য ওড়নাটি একটু নিজের মতো করে নকশা করে বানিয়ে ফেলতে পারেন। নিজেই লেস, বর্ডার, ওড়নার কাপড় কিনে নিলে কিন্তু খুব বেশি খরচ না করেই বলিউডের কনের সাজে সেজে উঠতে পারেন।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।