গরমের দিনে শেষপাতে টক দই খেতে আর ভাল লাগে না? স্বাদবদল করুন শ্রীখণ্ড দিয়ে

12th April 2024 8:32 pm Country News
গরমের দিনে শেষপাতে টক দই খেতে আর ভাল লাগে না? স্বাদবদল করুন শ্রীখণ্ড দিয়ে


যা গরম পড়েছে, তাতে শুধু জল খেয়ে সাধ মিটছে না। তাই তীব্র দাবদাহের হাত থেকে মুক্তি পেতে ঘোল, লস্যি, ছাঁচ— এ সব পানীয়ের উপরেই ভরসা রেখেছেন। অনেকে আবার গোটা গরমকাল জুড়েই টক দই দিয়ে ভাত খান। গরমের মরসুমে দই যে শুধু হজমে সহায়ক, তা নয়, পেটের যে কোনও সমস্যাতেই দই খাওয়া যায়। পুষ্টিবিদদের মতে গরমের সময় রোজকার ডায়েটে যত বেশি দই রাখা যায়, ততই ভাল। গরমের মরসুমে শেষপাতের মিষ্টিমুখটাও যদি দই দিয়ে করা হয়, তা হলে কেমন হয়? বানিয়ে ফেলতে পারেন শ্রীখণ্ড। গুজরাত ও মহারাষ্ট্রের মিষ্টির পদগুলির মধ্যে অন্যতম হল শ্রীখণ্ড। দইয়ের মধ্যে নানা কিছু মিশিয়ে ঠান্ডা করে পরিবেশন করা হয় এই পদ। গুজরাতের অনেক জায়গায় পুরি বা লুচির সঙ্গেও দেওয়া হয় শ্রীখণ্ড। দই দিয়ে মিষ্টিমুখ করতে চাইলে বাড়িতেই বানিয়ে ফেলুন হরেক স্বাদের শ্রীখণ্ড। রইল রেসিপি।

আম শ্রীখন্ড: গরমের সময় বাজারে পাকা আমের ছড়াছড়ি। একটি আম কেটে তার ক্বাথ বানিয়ে নিয়ে জল ঝরানো দইয়ের সঙ্গে মিশিয়ে নিন। আম মিষ্টি না হলে সামান্য গুঁড়ো চিনি মিশিয়ে মিশ্রণটি একটি মাটির ভাঁড় কিংবা কাচের বাটিতে ঢেলে তার উপরে কুচনো আম ছড়িয়ে ফ্রিজে রেখে দিন। ঠান্ডা ঠান্ডা পরিবেশন করুন।

 

গোলাপ শ্রীখণ্ড: জল ঝরানো টক দইয়ের সঙ্গে রোজ় সিরাপ আর পরিমাণ মতো চিনির গুঁড়ো ভাল করে মিশিয়ে নিন। এ বার মাটির ভাঁড় কিংবা কাচের বাটিতে মিশ্রণটি ঢেলে তার উপরে গোলাপের পাপড়ি ছড়িয়ে ফ্রিজে রেখে দিন। করুন। ঘণ্টাখানেকেই তৈরি হয়ে যাবে গোলাপ শ্রীখণ্ড।

কফি শ্রীখণ্ড: জল ঝরানো টক দইয়ের সঙ্গে কফির গুঁড়ো, মিল্ক চকোলেট পাউডার আর পরিমাণ মতো চিনির গুঁড়ো ভাল করে মিশিয়ে নিন। এ বার মাটির ভাঁড় কিংবা কাচের বাটিতে মিশ্রণটি ঢেলে তার উপরে খানিকটা চকো চিপ্‌স ছড়িয়ে ফ্রিজে রেখে দিন। আট থেকে আশি, সকলেই পছন্দ করবেন এই কফি শ্রীখণ্ড।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।