বাড়ির খুদেটি মুরগির ঝোল খেতে মোটেই ভালবাসে না? রেস্তরাঁর মতো লেমন পেপার চিকেন বানিয়ে দিতে পারেন

28th March 2024 12:01 am Country News
বাড়ির খুদেটি মুরগির ঝোল খেতে মোটেই ভালবাসে না? রেস্তরাঁর মতো লেমন পেপার চিকেন বানিয়ে দিতে পারেন


কাজ থেকে নানা জনের নানা রকম বায়নক্কা সামলাতে গিয়ে নাভিশ্বাস ওঠার জোগাড়। তার মধ্যে বা়ড়ির সবচেয়ে খুদে সদস্যটি বায়না ধরেছে, সে সকালের রান্না করা চিকেন খাবে না। সারা দিন খাটাখাটনি করে ভেবেচিন্তে নতুন পদ মাথা থেকে বার করার ধৈর্য এখন আর নেই। তার মন রাখতে বাইরে থেকে খাবার অর্ডার দিয়ে আনানোই যায়। কিন্তু রোজ রোজ বাইরের খাবার খাওয়ার অভ্যাস ভাল নয়। তা হলে কী করবেন? ফ্রিজে যেটুকু মাংস পড়ে আছে, তা দিয়ে চট করে বানিয়ে ফেলতে পারেন লেমন পেপার চিকেন। রইল তার প্রণালী।

 

উপকরণ:

 

মুরগির মাংস: ৪০০ গ্রাম

 

টক দই: ১ কাপ

 

ধনেপাতা কুচি: ২ টেবিল চামচ

 

আদা-রসুন বাটা: ১ টেবিল চামচ

 

লেবুর রস: ২ টেবিল চামচ

 

গোলমরিচের গুঁড়ো: ১ টেবিল চামচ

 

প্যাপেরিকা গুঁড়ো: ১ চা চামচ

 

মিক্সড হার্বস: ১ চা চামচ

 

মাখন: ১ টেবিল চামচ

 

নুন: স্বাদমতো

 

প্রণালী:

 

১) একটি বড় পাত্রে মুরগির মাংস নিয়ে তাতে দই, নুন, লেবুর রস, প্যাপেরিকা, গোলমরিচের গুঁড়ো মিশিয়ে ভাল করে মাখিয়ে নিন।

 

২) এ বার মুরগির মাংসের পাত্রটি ফ্রিজে তুলে রাখুন। আধ ঘণ্টা পর ফ্রিজ থেকে বার করে নিন।

 

৩) একটি ননস্টিক প্যানে মাখন গরম করে আদা-রসুন বাটা দিয়ে ভাল করে ভেজে নিন। এর মধ্যে ম্যারিনেট করা চিকেন দিয়ে ভাল করে কষিয়ে নিন।

 

৪) এ বার ঢাকা তুলে আবার কিছুটা গোলমরিচ, প্যাপেরিকা আর মিক্সড হার্বস মিশিয়ে নিন। তার পর ঢাকা দিয়ে মাংস সেদ্ধ হতে দিন।

 

৫) সেদ্ধ হয়ে এলে উপর থেকে ধনেপাতা কুচি ছড়িয়ে গ্যাস বন্ধ করে দিয়ে মিনিট পাঁচেক ঢেকে রাখুন। ভাত কিংবা রুটির সঙ্গে খেতে মন্দ লাগবে না।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।