ফোনে অটোমেটিক অ্যাপ আপডেট বন্ধ করার নিয়ম

11th March 2024 6:43 pm Country News
ফোনে অটোমেটিক অ্যাপ আপডেট বন্ধ করার নিয়ম


সুরক্ষার জন্য অপারেটিং সিস্টেম ও সব অ্যাপ নিয়মিত আপডেট করা প্রয়োজন। তবে অনেক সময় আপডেট করা সম্ভব হয়ে ওঠে না। সীমিত ডেটার মধ্যেও অনেক সময় অ্যান্ড্রয়েড প্লে স্টোরে অটোমেটিক অ্যাপ আপডেট শুরু হয়ে যায়। এর ফলে ক্রমে ডেটা শেষ হতে থাকে। চাইলে প্লে স্টোর সেটিংস থেকে এই অপশন বন্ধ করা সম্ভব।প্রধানত দুটি উপায়ে এই কাজ করা সম্ভব। প্রথম উপায়ে একসঙ্গে সব অ্যাপ আপডেট বন্ধ করার উপায় জানানো হবে। দ্বিতীয় উপায়ে নির্দিষ্ট কোনো অ্যাপ আপডেট বন্ধ করার উপায় জানানো হবে।

সব অ্যাপ অটোমেটিক আপডেট বন্ধের উপায়

স্টেপ ১ : গুগল প্লে স্টোর ওপেন করুন।

স্টেপ ২ : ডান দিকে উপরে নিজের প্রোফাইল আইকনে ট্যাপ করুন।

স্টেপ ৩ : ড্রপ ডাউন মেন্যু থেকে সেটিংস সিলেক্ট করুন।

স্টেপ ৪ : এখানে 'নেটওয়ার্ক অ্যান্ড প্রেফারেন্সেস' অপশন সিলেক্ট করুন।

স্টেপ ৫ : এখানে অটো-আপডেট অ্যাপস অপশন সিলেক্ট করুন, পপ-আপ মেন্যুতে আরও অপশন দেখতে পাবেন।

স্টেপ ৬ : এখানে 'ডোন্ট অটো-আপডেট অ্যাপস' অপশন সিলেক্ট করুন। এই অপশন সিলেক্ট করলে ব্যাকগ্রাউন্ডে কোনো অ্যাপ অটো আপডেট হবে না।

নির্দিষ্ট কোনো অ্যাপ অটো আপডেট বন্ধ করার উপায়

স্টেপ ১ : গুগল প্লে স্টোর ওপেন করে যে অ্যাপের অটো আপডেট বন্ধ করতে চান সেই অ্যাপ ওপেন করুন।

স্টেপ ২ : ডান দিকে উপরে থ্রি ডট মেন্যু সিলেক্ট করুন।

স্টেপ ৩ : এবার 'এনেবল অটো আপডেট' অপশন আনটিক করে দিন।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।