দুর্গা রত্ন পুরস্কার প্রত্যাখ্যান করল কল্যাণী লুমিনাস ক্লাব।

26th October 2023 10:48 am Country News
দুর্গা রত্ন পুরস্কার প্রত্যাখ্যান করল কল্যাণী লুমিনাস ক্লাব।


রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের দেওয়া দুর্গা রত্ন পুরস্কার প্রত্যাখ্যান করল কল্যাণী লুমিনাস ক্লাব। ক্লাব সদস্যদের দাবি, রাজ্যের 100 দিনের কাজের বকেয়া টাকা মিটিয়ে দিক কেন্দ্রীয় সরকার। তাহলেই তাঁরা পুরস্কার পেয়েছেন বলে মনে করবেন। পুজোর আবহ কাটতে না কাটতেই রাজ্যপালের কাছে এমন ক্লাবের দাবির নেপথ্যে রাজনীতি দেখছেন অনেকেই। যদিও এই ঘটনায় রাজনীতির কোনও সম্পর্ক নেই বলে জানিয়েছেন ক্লাবের কর্মকর্তারা।

 

ক্লাবের সম্পাদক টিঙ্কু মুখোপাধ্যায় বলেন, "সবিনয়ে আমরা এই পুরস্কার প্রত্যাখান করছি। কারণ বিগত কয়েকদিন ধরে আমরা দেখেছি, 100 দিনের কাজের টাকা গরিব মানুষেরা পাচ্ছে না । তারা কখনও রাজভবন আবার কখনও দিল্লি গিয়ে আন্দোলন করছে। রাজ্যপালের কাছে আমাদের অনুরোধ, এই টাকা আমাদের ক্লাবকে না দিয়ে উনি কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে কথা বলুন। কেন্দ্ৰ 100 দিনের কাজের বকেয়া টাকা গরিব মানুষকে দিয়ে দিলে আমাদের মনে হবে এটাই আমাদের পুরস্কার |"

বাঙালির সবথেকে বড় উৎসব দুর্গাপুজো। এবছর কলকাতার পাশাপাশি নজর কেড়েছে নদিয়ার কল্যাণী লুমিনাস ক্লাব। সেই কারণে স্থানীয়রা ছাড়াও দূর থেকেও বিভিন্ন দর্শনার্থীরা ভিড় জমান এই পুজো মণ্ডপে। এই পুজোকে নদিয়া জেলার সেরা বারোয়ারি পুজো হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে বিভিন্ন সংস্থার তরফে। এমনই আবহে রাজ্যপাল কল্যাণী লুমিনাস ক্লাবকে দুর্গা রত্ন পুরস্কার দেন। তবে তা ঘিরে বিতর্ক দানা বাঁধল।

এই ঘোষণার পর বেঁকে বসেন ক্লাবের কর্মকর্তারা। তাঁরা পুরস্কারকে প্রত্যাখ্যানের সিদ্ধান্ত নেন। কারণ হিসাবে ক্লাবের কর্তারা জানিয়েছেন, 100 দিনের কাজ করেও যারা বকেয়া টাকা পায়নি তাঁদের অবিলম্বে প্রাপ্য মিটিয়ে দিতে হবে। রাজ্যপাল কেন্দ্রের কাছে বাংলার গরিব মানুষের এই দাবি তুলে ধরুন- এমনটাই চান ক্লাবের সদস্যরা। উল্লেখ্য, এই বছর 31 তম বর্ষে পদার্পণ করেছে এই পুজো । এই বছর থিম ছিল চিনের বিখ্যাত লিজবোয়া টাওয়ার। প্রায় 160 ফুট উচ্চতা এই পুজো মণ্ডপ সকলের নজর কেড়েছে।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।